ইরানের শীর্ষ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি এবং নিরাপত্তা প্রধান আলী লারি জানিকে হত্যার প্রতিশোধ নিতে মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোতে ভয়াবহ হামলা চালিয়েছে ইরান। তেহরানের দাবি অনুযায়ী, তাদের এই বিধ্বংসী অভিযানে অন্তত ৩,২০০ মার্কিন সেনা হতাহত হয়েছে। ১৮ মার্চ ২০২৬ তারিখে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে।
ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) জানিয়েছে, তারা মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিগুলোকে লক্ষ্য করে শত শত ব্যালিস্টিক মিসাইল ও ড্রোন ছুড়েছে। এই অভিযানের মূল লক্ষ্য ছিল মার্কিন সামরিক সক্ষমতাকে গুঁড়িয়ে দেওয়া।
হামলায় অত্যাধুনিক মিসাইল সিস্টেম ও শক্তিশালী লঞ্চ প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করা হয়েছে, যা নিখুঁতভাবে মার্কিন লক্ষ্যবস্তুগুলোতে আঘাত হানে। ইরান দাবি করেছে, তাদের এই অপারেশনাল সাকসেসের ফলে মার্কিন বাহিনীর অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে। বিপুল সংখ্যক সেনা নিহত হওয়ার পাশাপাশি বহু সামরিক সরঞ্জাম ধ্বংস হয়েছে।
ইরানি কর্তৃপক্ষ স্পষ্ট করে জানিয়েছে, তাদের এই হামলা কেবল শুরু। লারি জানি এবং খামেনির হত্যার রক্তে ভেজা বদলা নিতে তারা ইসরাইল ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যেকোনো সামরিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রস্তুত। আইআরজিসি-র বিবৃতিতে বলা হয়েছে, শত্রুপক্ষকে তাদের প্রতিটি অপরাধের জন্য চড়া মূল্য দিতে হবে।
এই হামলার পর পুরো মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে তীব্র উত্তেজনা বিরাজ করছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরাইলের পক্ষ থেকে এখনো হতাহতের এই বিশাল সংখ্যার বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে এই নজিরবিহীন হামলা ওই অঞ্চলে মার্কিন উপস্থিতিকে বড় ধরনের ঝুঁকির মুখে ফেলে দিয়েছে।
0 Comments