বরিশাল থেকে ভোলায় বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য ব্যবহৃত ৩৩ কিলোভোল্ট লাইনের সাবমেরিন কেবল চুরির ঘটনায় বড় ধরনের এক উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করেছে পুলিশ। দীর্ঘদিন ধরে একটি সংঘবদ্ধ চক্র এই মূল্যবান কেবল চুরি করে আসছিল।
গত ৮ই ডিসেম্বর বরিশাল সদর উপজেলার চন্দ্রমোহন ইউনিয়নের কালাবদর নদ এলাকায় তিন কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের চোরাই কেবলের অংশ থেকে প্রায় ১৭৫ কেজি তামার তার জব্দ করা হয়। ২০০৮ সালের দিকে বরিশাল থেকে ভোলায় বিদ্যুৎ সংযোগের জন্য ১০ কোটি টাকা ব্যয়ে ৪টি নদীর নিচ দিয়ে সাড়ে ৬ কিলোমিটার সাবমেরিন কেবল বসানো হয়েছিল। বর্তমানে টাওয়ারের মাধ্যমে সংযোগ হওয়ায় সাবমেরিন কেবলের একটি অংশ সচল ছিল না, যার সুযোগ নিয়েছে চোর চক্রটি। চক্রটি ফসলি জমি খুঁড়ে মাটির নিচ থেকে তার কেটে নেওয়ায় কৃষকদের ধানের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। জমির মালিকরাই অনুসন্ধান করে চোর চক্রের সন্ধান পান।
স্থানীয়দের অভিযোগ, মূল্যবান এই তার চুরির হোতা চন্দ্রমোহন ইউনিয়নের মেম্বার শাহ আলম চুন্নুর ছোট ভাই পান্না শিকদার। বর্তমানে পুলিশ পান্নাকে গ্রেফতারের চেষ্টা চালাচ্ছে। একই বাড়ির শাহজাহান শিকদারের ঘর থেকে তার উদ্ধার হওয়ার পর তাকে গ্রেফতার করে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।
পল্লী বিদ্যুতের পক্ষ থেকে এই চুরির ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। স্থানীয়রা দাবি করেছেন যে, উদ্ধার হওয়া ১৭৫ কেজি তারের চেয়েও অনেক বেশি তার চুরির সাথে জড়িত থাকতে পারে এবং পুলিশ প্রকৃত আসামিদের ধরতে গড়িমসি করছে।
0 Comments