বিয়ের দাবিতে সহকর্মী শিক্ষকের বাড়িতে শিক্ষিকার অনশন


মেহেরপুর জেলার গাংনী উপজেলার চেঙ্গারা এলাকায় এক শিক্ষকের বাড়িতে বিয়ের দাবিতে এক শিক্ষিকা অনশন শুরু করেছেন। দুই সহকর্মীর এই ব্যক্তিগত দ্বন্দ্ব এখন পুরো এলাকায় আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। 

অনশনরত শিক্ষিকা সালমা খাতুনের দাবি, গাংনী উপজেলার সহকারী শিক্ষক আমিরুল ইসলাম সুফলের সঙ্গে গত চার বছর ধরে তার প্রেমের সম্পর্ক রয়েছে। সালমার অভিযোগ, বিয়ের কথা উঠতেই সুফল সম্পর্ক অস্বীকার করে পিছিয়ে যান। নিজের সম্মান রক্ষা এবং বিয়ের নিশ্চয়তার দাবিতে তিনি সরাসরি সুফলের বাড়ির উঠানে এসে বসেন।

সালমা খাতুন জানান, বিয়ে না হওয়া পর্যন্ত তিনি এই বাড়ি ছাড়বেন না। প্রয়োজনে এখানেই জীবন দেবেন বলে তিনি দৃঢ় অবস্থান ব্যক্ত করেছেন। শিক্ষিকার দাবি, বাড়িতে আসার পর তাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা হয়েছে, তার পোশাক ও ব্যাগ ছিঁড়ে ফেলা হয়েছে এবং প্রমাণের ভয়ে তার মোবাইল ফোনটিও কেড়ে নেওয়া হয়েছে।


অভিযুক্ত শিক্ষক আমিরুল ইসলাম সুফল প্রেমের সম্পর্কের বিষয়টি পুরোপুরি অস্বীকার করেছেন। তার দাবি, ওই শিক্ষিকার সাথে তার কোনো কথা বা পরিচয় নেই এবং তাকে সামাজিকভাবে হেয় করার জন্য এটি একটি পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র। সুফলের পরিবারের সদস্যরাও একে সাজানো ঘটনা বলে দাবি করছেন এবং শিক্ষিকাকে বাড়ি থেকে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছেন।

ব্যক্তিগত এই সম্পর্কের টানাপোড়েন এখন প্রকাশ্যে আসায় এলাকাবাসী ও প্রতিবেশীদের মধ্যে ব্যাপক কৌতূহলের সৃষ্টি হয়েছে। নৈতিকতার শিক্ষা দেওয়া শিক্ষকদের এমন অবস্থানে সম্পর্কের দায়বদ্ধতা ও সামাজিক বিশ্বাস নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

Post a Comment

0 Comments