নিহত হাসিব ও রাজন আদালত থেকে হাজিরা শেষে মোটরসাইকেলে করে বের হওয়ার সময় এই হামলার শিকার হন। প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, অন্য চারটি মোটরসাইকেলে করে আসা ছয়জন দুর্বৃত্ত প্রথমে ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাদের কোপায় এবং এরপর পরপর গুলি করে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।
গোলাগুলির শব্দে আদালত চত্বরে উপস্থিত সাধারণ মানুষ এবং আইনজীবীদের মধ্যে চরম আতঙ্ক ও হুড়োহুড়ি শুরু হয়ে যায়। এ ধরনের স্পর্শকাতর জায়গায় গোলাগুলির ঘটনায় আদালতের স্বাভাবিক কার্যক্রমও ব্যাহত হয়।
পুলিশ নিশ্চিত করেছে যে নিহত হাসিব ও রাজন দুজনেই শীর্ষ সন্ত্রাসী গ্রুপের সদস্য ছিলেন। পুলিশ আরও জানায়, রাজন কিছুদিন আগেই সোনাডাঙ্গা থানা পুলিশের হাতে বড় অঙ্কের অস্ত্রসহ গ্রেফতার হয়েছিলেন। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর ধারণা, মূলত অভ্যন্তরীণ কোন্দল বা গ্যাং-ওয়ারের কারণেই এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।
ঘটনার পরপরই আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে আসেন। পুলিশ ঘটনাস্থল ঘিরে রেখেছে এবং বর্তমানে সিআইডি, পিবিআই, থানা পুলিশ এবং র্যাব সদস্যরা হামলাকারীদের শনাক্ত করতে ও আলামত (যেমন গুলির খোসা) উদ্ধারে কাজ করছেন।
দু'জনের মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আদালতের মধ্যে এমন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের ঘটনায় আইনজীবীরা নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। সব মিলিয়ে খুলনা নগরজুড়ে বর্তমানে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।
0 Comments