সাবেক মেয়র আইভীর আইনজীবী জানান, সিদ্দিরগঞ্জ থানার ৪১(৬)২৫ নম্বর মামলায় ডা. আইভীর জামিন প্রার্থনা করা হয়েছিল। আইনজীবীদের দাবি, এই মামলাটি ঘটনার প্রায় ১১ মাস পর দায়ের করা হয়েছে এবং মূল এজাহারে আইভীর নাম ছিল না। তারা আরও অভিযোগ করেন যে, গত ২৬ তারিখে আইভী অন্য মামলায় জামিন পাওয়ার পর একই দিনে তাকে এই নতুন মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়, যা আইনত প্রশ্নবিদ্ধ।
শুনানিতে বিবাদী পক্ষ থেকে বলা হয় যে, সিদ্দিরগঞ্জ থানায় একই তারিখে এবং একই সময়ে (২০২৪ সালের ২০শে জুলাই সন্ধ্যা ৬টা) দুটি পৃথক হত্যার মামলা (মামলা নং ৩৯/২৪ এবং ১৬৯/২৪) দায়ের করা হয়েছে। একই সময়ে দুটি ভিন্ন ঘটনাস্থলে একজন ব্যক্তির উপস্থিতি অসম্ভব উল্লেখ করে তারা দাবি করেন, গণতান্ত্রিক পরিবেশে এই ধরনের মামলা কেবলমাত্র হয়রানির উদ্দেশ্যে করা হয়েছে।
আইনজীবীরা আদালতকে জানান, ডা. আইভী একজন আদর্শবাদী ও ন্যায়পরায়ণ প্রশাসক হিসেবে নারায়ণগঞ্জের মানুষের সেবা করেছেন এবং কোনো প্রকার সন্ত্রাস বা চাঁদাবাজির সাথে তার সম্পৃক্ততা নেই। এজাহারকারী অন্য রাজনৈতিক নেতাদের চিনলেও ঘটনাস্থলে আইভী না থাকায় শুরুতে তার নাম দেননি বলে দাবি করা হয়।
নিম্ন আদালতে জামিন না পাওয়ায় ডা. আইভীর আইনজীবীরা অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। ন্যায়বিচারের স্বার্থে তারা দ্রুততম সময়ের মধ্যে উচ্চ আদালতে (হাইকোর্ট) আপিল করবেন বলে গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।
0 Comments