পূর্বধলা উপজেলার দারুল হুদা মাদ্রাসার পাশ দিয়ে ওই স্কুলছাত্রী ভ্যানে করে যাওয়ার সময় রাফি আহমেদ ও তার সহযোগীরা তাকে উত্ত্যক্ত করতে শুরু করে। এক পর্যায়ে রাফি স্কেটিং করা অবস্থায় চলন্ত ভ্যানে থাকা ছাত্রীর শ্লীলতাহানি করেন এবং তার পোশাক ধরে টান দিয়ে অত্যন্ত আপত্তিকর আচরণ করেন। এ সময় রাফির বন্ধুরা পুরো ঘটনাটি মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণ করে এবং পরবর্তীতে তা ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়।
ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর থেকেই সাধারণ মানুষের মধ্যে চরম ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, সাম্প্রতিক সময়ে দেশে নৈতিক অবক্ষয় বেড়েছে এবং নারীদের নিরাপত্তা চরম ঝুঁকির মুখে পড়েছে। দেশজুড়ে নারী নিরাপত্তার বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চললেও, নেত্রকোনার এই ন্যাক্কারজনক ঘটনায় প্রশাসনের নীরবতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সাধারণ মানুষ। তাদের দাবি, অপরাধী যে পরিচয়েরই হোক না কেন, তাকে দ্রুত আইনের আওতায় আনতে হবে।
নিরাপত্তার অভাবে ভুক্তভোগী পরিবারের অনেকেই মুখ খুলতে সাহস পাচ্ছেন না বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নেটিজেনরা এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন—শিক্ষার্থীরা কি এই ধরণের স্বাধীনতার জন্যই রাজপথে নেমেছিল? সাধারণ মানুষ অবিলম্বে অভিযুক্ত রাফি এবং ভিডিও ধারণকারী তার বন্ধুদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জোর দাবি জানিয়েছেন।
0 Comments